স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট,দৈনিক নাসা নিউজ।
বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও আজ স্বাক্ষর হতে যাচ্ছে বহুল প্রত্যাশিত "জুলাই জাতীয় সনদ"।অনুষ্ঠানটির সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।আজ শুক্রবার ১৭ ই অক্টোবর বিকেল ৪টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় ঐতিহাসিক এই সনদে স্বাক্ষর করবেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস,জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি ও সদস্যরা, এবং অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলগুলোর দুজন করে প্রতিনিধি।অনুষ্ঠান ঘিরে নেওয়া হয়েছে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।সংসদ এলাকায় ড্রোন ওড়ানোসহ সব ধরনের অননুমোদিত কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।এর আগে বৃহস্পতিবার ১৬ ই অক্টোবর প্রধান উপদেষ্টা ড.মুহাম্মদ ইউনূস তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি বিশেষ বার্তা দেন।
তিনি বলেন আমরা চাই,দেশের প্রতিটি মানুষ এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের অংশ হোন।আপনি যেখানেই থাকুন ঘরে,পথে,দোকানে,কারখানায়,মাঠে বা খেলাধুলার প্রাঙ্গণে-এই ঐক্যের মুহূর্তে আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন।রাজনৈতিক,ধর্মীয় বা জাতিগত পার্থক্য থাকলেও আমরা সবাই একই জাতি"।তিনি আরও বলেন এটাই একসাথে উদ্যাপনের সময় ঐক্যের শক্তি অনুভবের সময়,গর্ব ও আশার এই দিনে নতুন প্রেরণা পাওয়ার সময়"।
উল্লেখ্য গত বছরের আগস্টে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর রাষ্ট্রীয় সংস্কারের লক্ষ্যে ছয়টি কমিশন গঠন করা হয়-সংবিধান,নির্বাচন ব্যবস্থা,জনপ্রশাসন,দুর্নীতি দমন,পুলিশ ও বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন।জাতীয় ঐকমত্য কমিশন দুই দফায় ৬৩টি রাজনৈতিক দলের সাথে আলোচনা করে এবং মোট ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাবে ঐকমত্যে পৌঁছায়।খসড়া পর্যালোচনা ও সংশোধনের পর ১৪ ই অক্টোবর সব দলের কাছে চূড়ান্ত কপি পাঠানো হয়।আজকের স্বাক্ষরের মাধ্যমে জুলাই সনদকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কার প্রক্রিয়ার এক ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
.png)
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ অক্টোবর ২০২৫
স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট,দৈনিক নাসা নিউজ।
বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও আজ স্বাক্ষর হতে যাচ্ছে বহুল প্রত্যাশিত "জুলাই জাতীয় সনদ"।অনুষ্ঠানটির সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন।আজ শুক্রবার ১৭ ই অক্টোবর বিকেল ৪টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় ঐতিহাসিক এই সনদে স্বাক্ষর করবেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস,জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি ও সদস্যরা, এবং অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলগুলোর দুজন করে প্রতিনিধি।অনুষ্ঠান ঘিরে নেওয়া হয়েছে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।সংসদ এলাকায় ড্রোন ওড়ানোসহ সব ধরনের অননুমোদিত কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।এর আগে বৃহস্পতিবার ১৬ ই অক্টোবর প্রধান উপদেষ্টা ড.মুহাম্মদ ইউনূস তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি বিশেষ বার্তা দেন।
তিনি বলেন আমরা চাই,দেশের প্রতিটি মানুষ এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের অংশ হোন।আপনি যেখানেই থাকুন ঘরে,পথে,দোকানে,কারখানায়,মাঠে বা খেলাধুলার প্রাঙ্গণে-এই ঐক্যের মুহূর্তে আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন।রাজনৈতিক,ধর্মীয় বা জাতিগত পার্থক্য থাকলেও আমরা সবাই একই জাতি"।তিনি আরও বলেন এটাই একসাথে উদ্যাপনের সময় ঐক্যের শক্তি অনুভবের সময়,গর্ব ও আশার এই দিনে নতুন প্রেরণা পাওয়ার সময়"।
উল্লেখ্য গত বছরের আগস্টে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর রাষ্ট্রীয় সংস্কারের লক্ষ্যে ছয়টি কমিশন গঠন করা হয়-সংবিধান,নির্বাচন ব্যবস্থা,জনপ্রশাসন,দুর্নীতি দমন,পুলিশ ও বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন।জাতীয় ঐকমত্য কমিশন দুই দফায় ৬৩টি রাজনৈতিক দলের সাথে আলোচনা করে এবং মোট ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাবে ঐকমত্যে পৌঁছায়।খসড়া পর্যালোচনা ও সংশোধনের পর ১৪ ই অক্টোবর সব দলের কাছে চূড়ান্ত কপি পাঠানো হয়।আজকের স্বাক্ষরের মাধ্যমে জুলাই সনদকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কার প্রক্রিয়ার এক ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
.png)
আপনার মতামত লিখুন